ইতিহাসটাকে আমি সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যেতে চেয়েছি

[সম্পাদকীয় নোট: প্রখ্যাত শিল্পী হাশেম খানের সঙ্গে ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের এই আলাপচারিতা গৃহীত হয়েছিল ২০১১ সালের ২১ মে। তাদের দুজনের পাশাপাশি আরো বহুজন সেদিন উপস্থিত ছিলেন। দুজনের আলাপচারিতা থেকে মুনতাসীর মামুনের বেড়ে ওঠা, সৃজনশীল তৎপরতা, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডের একটা চিত্র পাওয়া যায়। এগুলোকে বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস রচনার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান

পাঠ্যবইয়ের রাজনীতি : ইতিহাস দখল, জাতিরাষ্ট্র এবং পরিচয়-নির্মাণের ইতিবৃত্ত

আবুল বাশার নাহিদ  ১৯৭১ সালে নয় মাসের তীব্র রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার বাংলা ভাষাভাষীদের এক বৃহৎ অংশ একটি স্বাধীন মানচিত্রের চিত্র অঙ্কন করেন। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব নবীন স্বাধীন রাষ্ট্র কাঠামো। এ রাষ্ট্র কাঠামোর ভিত্তি ছিল উদার, অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক এবং সাম্য, সামাজিক ন্যায় বিচার ভিত্তিক রাষ্ট্র

কড়া নাড়ার শব্দ।। মুনতাসীর মামুন

[গৌরচন্দ্রিকা: মুনতাসীর মামুন সাধারণত ইতিহাসবিদ ও প্রাবন্ধিক হিসাবে বহুল পরিচিত হলেও তাঁর আরো কিছু পরিচয় আছে, যা অনেকেই জানেন না। তিনি একাধারে একজন অনুবাদক ও ছোটগল্পকার। তাঁর লেখালেখির জীবন শুরু হয়েছিল অনুবাদ সাহিত্যের মাধ্যমে। ছোটগল্প ও শিশুসাহিত্য রচনাতেও তিনি সিদ্ধহস্ত। ‘কড়া নাড়ার শব্দ’ নামক গল্পটি লেখা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। গল্পটি

আদর্শ থেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করে গিয়েছি : মুনতাসীর মামুন

[সম্পাদকীয় নোট: গণহত্যা জাদুঘরের সভাপতি মুনতাসীর মামুনের এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল এনটিভি অনলাইনে, ২৬ মার্চ ২০১৬-তে। ড. মুনতাসীর মামুন প্রায় সাড়ে চার দশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, গবেষক, শিল্পসংগ্রাহক, বাংলাদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি খ্যাতিম্যান ও জনপ্রিয়। উনিশ শতকের পূর্ববঙ্গ, ঢাকা, মুক্তিযুদ্ধ, সিভিল