Everyday 10 to 5pm except Monday. Friday 3-5 pm

এই দিবস সম্পর্কে যা জানা জরুরি

গণহত্যায় আক্রান্তদের স্মরণ এবং এই অপরাধ প্রতিরোধে প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর International Day of Commemoration and Dignity of the Victims of the Crime of Genocide and of the Prevention of this Crime পালিত হয়। গণহত্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং গণহত্যা প্রতিরোধে জাতিসঙ্ঘ এর গণহত্যা কনভেনশনের ভূমিকা সম্পর্কে জানাতে এই দিবসটি পালিত হয়।

এই বছর ঐতিহাসিক সেই কনভেনশনের ৭৩তম বার্ষিকী। এই কনভেনশন গণহত্যা প্রতিরোধে সরকার ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং যারা এই জঘন্য কাজে জড়িত তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনার কথা প্রথমবারের মত জোরেশোরে উচ্চারিত হয়েছিল।

ইতিহাস:

১৯৪৮ সালের ০৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে Convention on Prevention and Punishment of the Crime of Genocide গৃহীত হয়। এই কনভেনশনকে সংক্ষেপে গণহত্যা কনভেনশনও বলা হয়। এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনটিকে পরবর্তীতে International Day of Commemoration and Dignity of the Victims of the Crime of Genocide and of the Prevention of this Crime হিসেবে পালনের জন্য বেছে নেয়া হয়েছিল।

এই কনভেনশনই প্রথমবারের মত গণহত্যার আইনি সংজ্ঞা নির্ধারণ করে। এটাও বলা হয় যে, গণহত্যা প্রতিরোধের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রের।

গণহত্যার সংজ্ঞা:

গণহত্যার কনভেনশন গণহত্যাকে এমন একটি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে যা কোনো একটি গোষ্ঠীকে (জাতিগত, নৃতাত্তিক, বর্ণ ও ধর্মীয়) আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসের নিয়তে/অভিপ্রায়ে কিছু অপরাধমূলক কাজ করা, যেমন হত্যা করা, শারিরীক বা মানসিকভাবে ক্ষতি করা, শারিরীকভাবে ধ্বংস করতে পারে এমন শর্ত তৈরি করা, এক গোষ্ঠীর সদস্যদের জোর করে অন্য গোষ্ঠীতে স্থানান্তর করা এবং জোরপূর্বক জন্মনিরোধ করা। কনভেনশনে এই অপরাধের সাথে জড়িতদের শাস্তির বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

এই দিনের গুরুত্ব:  

২০০৫ সালের বিশ্ব সম্মেলনে, বিভিন্ন রাষ্ট্রের সদস্যরা সম্মত হন যে, রাষ্ট্রগুলো তাদের জনগণকে যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং এথনিক ক্লিনজিং থেকে রক্ষা করবে। শীর্ষ সম্মেলন এটাতেও সম্মত হয় যে, যদি কোনো রাষ্ট্র এই ধরনের অপরাধ থেকে জনগণকে বাঁচাতে ব্যার্থ হয় তাহলে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

গণহত্যা প্রতিরোধের বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন এমন সব অঞ্চল নিয়েও যেখানে গণহত্যামূলক অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ অথবা এথনিক ক্লিনজিং [জাতিগত নির্মূল] এর সম্ভাবনা রয়েছে।

 

  • ফার্স্টপোস্ট, জাতিসংঘ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অবলম্বনে।

Post a comment