আদর্শ থেকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করে গিয়েছি : মুনতাসীর মামুন

[সম্পাদকীয় নোট: গণহত্যা জাদুঘরের সভাপতি মুনতাসীর মামুনের এই সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছিল এনটিভি অনলাইনে, ২৬ মার্চ ২০১৬-তে। ড. মুনতাসীর মামুন প্রায় সাড়ে চার দশক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, গবেষক, শিল্পসংগ্রাহক, বাংলাদেশের সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি খ্যাতিম্যান ও জনপ্রিয়। উনিশ শতকের পূর্ববঙ্গ, ঢাকা, মুক্তিযুদ্ধ, সিভিল

সর্বজন গ্রাহ্য মানবমুক্তির দলিল।। মুনতাসীর মামুন

ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিশ্ব সংস্কৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যুদ্ধ হলেও সবাই সচেষ্ট থাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মারকগুলি যাতে অটুট থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, যেমন, জার্মানির কেলোন শহরের মধ্যযুগের গির্জায় যাতে বোমা বর্ষণ না করা হয় সে ব্যাপারে সচেষ্ট ছিল মিত্রপক্ষ। ইরাক-আমেরিকা যুদ্ধের সময় আমেরিকা ব্যবিলনের কোনা স্মারক যাতে নষ্ট না হয় সে ব্যাপারে

গণহত্যা, রাষ্ট্র ও জাদুঘর : যেখানে জড়িয়ে আছে এক গভীর রাজনীতি।। আবুল বাশার নাহিদ

আবুল বাশার নাহিদ ইউরোপীয় সামন্ততান্ত্রিক সমাজের সমাপ্তির পাটাতনে আধুনিক রাষ্ট্র কাঠামোর বিকাশের সূচনা বলা যায়। আধুনিক জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র কাঠামোর চূড়ান্ত বিকাশ আরো কয়েকশত বছর পরের ঘটনা। এই জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্র তার কর্তৃত্ব অন্য জাতিগোষ্ঠির উপর প্রতিষ্ঠার জন্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, গণহত্যায় যেমন লিপ্ত হয়েছে তেমনি নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ এবং প্রদর্শনের জন্য তৈরি

Bangladesh War: Report from Ground Zero ।।মুনতাসীর মামুন

মুনতাসীর মামুন মানস ঘোষের সঙ্গে আমার পরিচয় দু’যুগের। যদি স্মৃতি বিভ্রম না হয়ে থাকে, তাহলে বলব, প্রথম পরিচয় দিল্লিতে। সাল ১৯৯৮, পাকিস্তানি নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে একমাস ধরে আলাপ করে ঢাকা ফিরছি। করাচি থেকে দিল্লি। আমার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসের মহিউদ্দিন আহমদ। যিনি মাত্র কয়েকদিন আগে আমাদের ছেড়ে চলে

৬ দফা নিয়ে বিদেশিদের ভাবনা।। মুনতাসীর মামুন

গত শতকের পঞ্চাশ দশকে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়িত করার প্রথম সক্রিয় প্রচেষ্টা হয়েছিল ১৯৬৬ সালে। আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ছিল সে পদক্ষেপ। এ কারণেই ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তিসনদ বলা হয়। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে লাহোরে বিরোধীদের এক সভায় বঙ্গবন্ধু ৬ দফার প্রস্তাব করেন। ৬