কৃষ্ণপুর গণহত্যা

Publication Type Journal Article
Publication Year October 2026
Author(s) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন (Mohammad Abdullah Al Mamun)
Journal Name গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ
Volume, Issue ১৪ (বাংলা)
Pagination 89-116
Article Type Paper
DOI https://doi.org/10.68002/1403

Keywords: কৃষ্ণপুর, গণহত্যা, পাকিস্তান বাহিনি, বধ্যভূমি

Attachment

Abstract: এই গবেষণায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রকৃতি, প্রেক্ষাপট, ব্যাপ্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক অভিঘাত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনি ও তাদের স্থানীয় সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে কৃষ্ণপুর ও পার্শ্ববর্তী হিন্দু অধ্যুষিত পাড়াগুলো ঘেরাও করে গ্রামবাসীর পালানোর পথ বন্ধ করে দেয়। এরপর বাড়িঘরে তল্লাশি চালিয়ে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ নিরস্ত্র মানুষদের ধরে পৃথক পৃথক স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয়। গোকুলনগর, চণ্ডীপুর, লালচাঁনপুর, গদাইনগর ও গঙ্গানগরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে প্রায় ১২৭ জন নিহত হন; তাঁদের মধ্যে মাত্র ৪৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। গবেষণায় বিশেষভাবে দেখানো হয়েছে যে, ধর্মীয় পরিচয়, স্থানীয় সহযোগিতা, পরিকল্পিত অবরোধ, নির্বিচার হত্যা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং নারীদের ওপর যৌন সহিংসতা—সব মিলিয়ে কৃষ্ণপুরের ঘটনা ছিল পাকিস্তানি বাহিনির বৃহত্তর দমন ও নিধননীতির একটি স্থানীয় প্রকাশ। গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মৃতি, শহিদদের পরিচয়, হত্যাস্থল এবং পরবর্তী সময়ে বধ্যভূমি ও স্মৃতিস্মারক প্রতিষ্ঠার বিষয়ও গবেষণায় গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে ২০১০ সালে দায়ের হওয়া মামলা এবং পরবর্তী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষ্ণপুর গণহত্যার বিচারিক স্বীকৃতি ও দায়বদ্ধতার প্রচেষ্টাও আলোচিত হয়েছে।

1971 : Genocide-Torture Archive & Museum © 2014
All Rights Reserved

Privacy Policy / Terms of Use