গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ জার্নাল

ISSN: 2789-1062

উন্মুক্ত প্রবেশাধিকারভিত্তিক জার্নাল (Open Access)

গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও নৃশংসতাকেন্দ্রিক গবেষণার জন্য নিবেদিত একটি বিশেষায়িত গবেষণাধর্মী জার্নাল। জার্নালটিতে প্রতি সংখ্যায় নিয়মিতভাবে তৃণমূল পর্যায়ের গণহত্যার প্রামাণ্য বিবরণ এবং মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ গবেষণামূলক ও বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী পরিচালিত গণহত্যা, নিপীড়ন এবং অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক ইতিহাসের গভীরতর বিশ্লেষণ ও তথ্যভিত্তিক চর্চাকে এই জার্নাল উৎসাহিত করে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ, জনসচেতনতা তৈরি এবং ইতিহাস বিকৃতি রোধ করাই এর অন্যতম মূল লক্ষ্য।

শুধু বাংলাদেশের গণহত্যা, মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধিকার আন্দোলন নয়; বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণহত্যা, জাতিগত নিধন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা আন্দোলন, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন, রাজনৈতিক সহিংসতা, যুদ্ধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, বাস্তুচ্যুতি, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং এসব বিষয়ের তুলনামূলক ও আন্তঃদেশীয় বিশ্লেষণও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে গণহত্যা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দেশি-বিদেশি গবেষণা, গ্রন্থ ও একাডেমিক প্রকাশনার পরিচিতি, পর্যালোচনা ও সমালোচনামূলক আলোচনা প্রকাশে আমরা আগ্রহী।

আমরা উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার (Open Access) নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে এর গুরুত্বকে সমর্থন করি। বিশ্বব্যাপী জ্ঞানের অবাধ প্রবাহ ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জার্নালে প্রকাশিত সব গবেষণামূলক বিষয়বস্তু সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, এই নীতি গবেষক, লেখক ও পাঠক—সবার জন্যই জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগকে আরও সহজ ও কার্যকর করে।

এখানে ‘উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার’ বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো আর্থিক, আইনি বা প্রযুক্তিগত বাধা ছাড়াই গবেষণাপত্রের পূর্ণাঙ্গ পাঠের সুযোগকে বোঝানো হয়েছে। ফলে যেকোনো পাঠক গবেষণাপত্র পড়তে, ডাউনলোড করতে, কপি করতে, বিতরণ করতে, মুদ্রণ করতে, অনুসন্ধান করতে, লিংক করতে, ইনডেক্সিংয়ের কাজে ব্যবহার করতে কিংবা কোনো সফটওয়্যার ডেটা হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এসব ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু শুধুমাত্র অবাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার, রূপান্তর বা পরিবর্ধন করা যাবে এবং মূল লেখক ও উৎসের যথাযথ স্বীকৃতি ও সাইটেশন প্রদান করতে হবে।

বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট গবেষক ও বিষয়বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দীর্ঘমেয়াদি সম্পাদকীয় পরিষদ জার্নালটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। জার্নালটির নিজস্ব ISSN রয়েছে এবং প্রকাশিত প্রতিটি গবেষণাপত্রের জন্য স্বতন্ত্র DOI নম্বর প্রদান করা হয়।

সম্পাদকীয় দায়মুক্তি (Disclaimer)

জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ ও অন্যান্য লেখায় প্রকাশিত মতামত সম্পূর্ণরূপে সংশ্লিষ্ট লেখকের নিজস্ব। এসব মতামতের সঙ্গে জার্নালের সম্পাদক বা সম্পাদকীয় পরিষদের মতামতের কোনো সম্পর্ক নেই।

গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ’ জার্নালে কোনো লেখা জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে লেখায় ব্যবহৃত কপিরাইট-সুরক্ষিত ছবি, তথ্য, উদ্ধৃতি বা অন্যান্য উপাদানের যথাযথ অনুমতি সংগ্রহের দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে লেখকের।

পিয়ার-রিভিউ প্রক্রিয়া

জার্নালে জমা দেওয়া প্রতিটি গবেষণাপত্র একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। এই প্রক্রিয়ায় লেখক ও পর্যালোচক—উভয়ের পরিচয়ই পরস্পরের কাছে গোপন রাখা হয়।

জমা দেওয়া কোনো পাণ্ডুলিপি প্রাথমিক মূল্যায়নে জার্নালের নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হলে তা পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে না এবং লেখককে দ্রুত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

প্রাথমিক মূল্যায়নে কোনো পাণ্ডুলিপি সন্তোষজনক বিবেচিত হলে তা বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য সম্পাদকীয় পরিষদের মাধ্যমে পর্যালোচকের কাছে পাঠানো হবে। পর্যালোচকদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে লেখককে পাণ্ডুলিপিতে সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জনের জন্য পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

প্রকাশনার সময়সূচি

জার্নালটি ত্রৈমাসিক নয়, প্রতি চার মাস অন্তর নিয়মিত সংখ্যা প্রকাশ করে। প্রতি বছর জানুয়ারি, মে এবং সেপ্টেম্বর মাসে একটি করে সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

লেখা আহ্বান (Call for Papers – CFP)

দেশ-বিদেশের গবেষকদের জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশে উৎসাহিত করার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন CFP (Call for Papers) প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটে প্রকাশনার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এসব বিজ্ঞপ্তি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ, শেয়ার বা প্রচার করতে পারবেন।

CFP এবং জার্নালের অন্যান্য প্রকাশনা-সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি ই-মেইলে পেতে আগ্রহী গবেষকরা আমাদের সঙ্গে বিনামূল্যে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।

গবেষণাপত্র জমা দেওয়া বা প্রকাশনা-সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগের জন্য ই-মেইল:

লেখা জমা দেওয়ার নির্দেশিকা

গবেষণাপত্র শুধুমাত্র ই-মেইলের অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে Microsoft Word (.doc/.docx) ফরম্যাটে জমা দিতে হবে। জার্নালটি মৌলিক ও গবেষণাভিত্তিক প্রবন্ধ গ্রহণ করে।

পুরো পাণ্ডুলিপির জন্য SutonnyMJ ফন্ট, ফন্ট সাইজ ১৩ এবং Single Line Spacing অনুসরণ করতে হবে।

সাইটেশন ও তথ্যসূত্র প্রদানের ক্ষেত্রে MLA 9th Edition অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

বিশেষভাবে, উদাহরণগুলো নিম্নরূপ বিন্যস্ত করা হবে:

  • গ্রন্থ:
    মামুন, মুনতাসীর। চুকনগর গণহত্যা। গণহত্যা জাদুঘর, ২০১৫।
    পাঠ্যসাইটেশন: (মামুন ৬)
  • যুগ্ম লেখকের গ্রন্থ:
    লেখকের পদবি এবং লেখকের পদবি। গ্রন্থের শিরোনাম। প্রকাশক, বছর।
    পাঠ্যসাইটেশন: (লেখক এবং লেখক ৮০)
  • সম্পাদিত গ্রন্থ:
    সম্পাদকের পদবি, নাম, সম্পাদক। গ্রন্থের শিরোনাম। প্রকাশক, বছর।
    পাঠ্যসাইটেশন: (সম্পাদকের পদবি ৭০)
  • জার্নাল প্রবন্ধ:
    লেখকের পদবি, নাম। “প্রবন্ধের শিরোনাম।” জার্নালের নাম, খণ্ড X, সংখ্যা X, বছর, পৃষ্ঠা XX–XX।
    পাঠ্যসাইটেশন: (লেখকের পদবি ২০)

পাণ্ডুলিপির মূল ফাইলে লেখকের নাম ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় উল্লেখ করতে হবে এবং সম্পূর্ণ লেখাটি একটি মাত্র ফাইল হিসেবে সংযুক্ত করতে হবে।

Submission Article

ই-মেইলের মূল অংশে একটি ঘোষণা থাকতে হবে, যেখানে লেখক উল্লেখ করবেন যে তিনি জার্নালের লেখার নির্দেশিকা পড়েছেন, জার্নালের নীতিমালার সঙ্গে সম্মত এবং জমা দেওয়া গবেষণাপত্রটি সম্পূর্ণ মৌলিক ও নকলমুক্ত (Plagiarism-free)।

গবেষণাপত্রের ফরম্যাট

লেখকদের গবেষণাপত্র প্রস্তুতের ক্ষেত্রে MLA 9th Edition-এর নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিচের নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে।

শিরোনাম

মূল শিরোনাম এবং উপশিরোনাম (যদি থাকে) SutonnyMJ, ফন্ট সাইজ ১৩, Bold আকারে লিখতে হবে।

লেখকের পরিচয়

গবেষণাপত্রে লেখকের নাম এবং তার প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় উল্লেখ করতে হবে।

সারসংক্ষেপ (Abstract)

প্রতিটি গবেষণাপত্রের সঙ্গে ১৫০–২৫০ শব্দের একটি সারসংক্ষেপ বা Abstract এবং ৪–৫টি সূচক শব্দ বা Keywords সংযুক্ত করতে হবে।

মূল লেখা (Text Body)

মূল লেখাটি এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে, যাতে প্রকাশনার আগে অতিরিক্ত ফরম্যাটিংয়ের প্রয়োজন না হয়। গবেষণাপত্রের শিরোনাম, উপশিরোনাম, সারণি, চিত্র ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক উপাদান যথাযথ স্থানে সংযুক্ত করতে হবে।

মূল লেখার জন্য:

  • Font: SutonnyMJ
  • Font Size: ১৩
  • Alignment: Justified
  • Line Spacing: Single

ভাষা ও সম্পাদনা

জমা দেওয়ার আগে লেখককে গবেষণাপত্রের বানান, ব্যাকরণ, বাক্যগঠন এবং ভাষাগত সামঞ্জস্য ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। বাংলা বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুসরণযোগ্য। উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে মূল বানানের কোনো পরিবর্তন হবে না। লেখক কোনো বিশেষ বানান-বৈশিষ্ট্য রক্ষায় সচেষ্ট হলে তা অক্ষুণ্ণ রাখা হবে। মূল পাঠের মধ্যে উদ্ধৃতি তিন লাইনের বেশি হলে পৃথক অনুচ্ছেদে তা উপস্থাপন করতে হবে। কবিতার উদ্ধৃতিতে মূলের পঙক্তি-বিন্যাস রক্ষা করতে হবে। প্রবন্ধের শেষে ভিন্ন পৃষ্ঠায় নির্দেশিকা টীকা একত্রে সন্নিবেশিত হতে হবে।

ভাষা

পর্যালোচনার জন্য জমা দেওয়া সব গবেষণাপত্র অবশ্যই বাংলা ভাষায় লিখতে হতে হবে।

নকল যাচাই

গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার আগে  

বিশেষ সতর্কতা

গবেষণাপত্রে অপ্রয়োজনীয় লাইন, বর্ডার, অলংকরণ বা বিশেষ কোনো চিহ্ন ব্যবহার করে সাজসজ্জা করা যাবে না। এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় ফরম্যাটিং থাকলে পাণ্ডুলিপি বাতিল হতে পারে।

কপিরাইট ও স্বত্বাধিকার

গবেষণাপত্র প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হলে এর কপিরাইট বা প্রকাশনা-স্বত্ব ‘১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর ট্রাস্ট’ -এর কাছে হস্তান্তর করা হবে।

গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে লেখক নিশ্চয়তা প্রদান করবেন যে জমা দেওয়া লেখাটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং তিনি এর মূল রচয়িতা। তবে যথাযথভাবে উদ্ধৃত অংশ এবং অনুমতিপ্রাপ্ত উৎস বা উপাদান এর আওতাভুক্ত নয়।

লেখক আরও ঘোষণা করবেন যে:

  • গবেষণাপত্রটি এর আগে হুবহু অন্য কোনো জার্নাল, প্রকাশনা বা মাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।
  • এই জার্নালে গবেষণাপত্রটি গ্রহণ বা বাতিল হওয়ার আগে একই লেখা প্রকাশের জন্য অন্য কোনো জার্নাল বা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে জমা দেওয়া হবে না।
  • সংশ্লিষ্ট (Corresponding) লেখক সব সহ-লেখকের পক্ষ থেকে গবেষণাপত্রটি প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
  • ‘গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ’ গবেষণাপত্রটি অনলাইন, প্রিন্টসহ যেকোনো মাধ্যমে প্রকাশ করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
  • সম্পাদকীয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে গবেষণাপত্রটি পরবর্তীতে বই, সংকলন বা অন্য কোনো প্রকাশনা আকারে পুনঃপ্রকাশ করতে পারবেন। এ ধরনের ক্ষেত্রে লেখককে যথাসময়ে অবহিত করা হবে।

নকলবৃত্তি বা প্ল্যাজিয়রিজম নীতি

জার্নালে গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার মাধ্যমে লেখক ও সহ-লেখকরা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো স্বীকার ও নিশ্চিত করবেন:

  • তারা অবগত যে নকল বৃত্তি (Plagiarism) একটি অনৈতিক গবেষণাচর্চা এবং অন্যের ধারণা, বক্তব্য বা প্রকাশিত কাজকে নিজের নামে উপস্থাপন করা গুরুতর অনিয়ম।
  • গবেষণাপত্রে ব্যবহৃত অন্যের প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত যেকোনো কাজ, ধারণা, তথ্য বা বক্তব্যের যথাযথ স্বীকৃতি এবং তথ্যসূত্র (Reference) প্রদান করা হয়েছে।
  • তারা নিশ্চিত করবেন যে তাদের গবেষণাপত্রের কোনো অংশ অন্য ব্যক্তি নিজের নামে ব্যবহার বা উপস্থাপন করার সুযোগ পাবে না।
  • গবেষণাপত্রে তথ্যসূত্র, উদ্ধৃতি বা রেফারেন্স-সংক্রান্ত কোনো অসম্পূর্ণতা, ভুল বা ত্রুটি থাকলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার লেখক বা লেখকদের।

সম্পাদকমণ্ডলী
গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ জার্নাল
ISSN: 2789-1062

1971 : Genocide-Torture Archive & Museum © 2014
All Rights Reserved

Privacy Policy / Terms of Use